শিরোনাম

হামলার প্রতিবাদে সারা দেশে বিক্ষোভ ঘোষণা গণঅধিকার পরিষদের

হামলার প্রতিবাদে সারা দেশে বিক্ষোভ ঘোষণা গণঅধিকার পরিষদের

জাতীয় পার্টির (জাপা) কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক নুরুল হক নুরসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ।

আজ রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘এ হামলার নির্দেশদাতাকে চিহ্নিত করতে সরকারকে ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হলো। কার নির্দেশে পুলিশ আমাদের ওপর হামলা করল, তার বিচার করতে হবে।’ একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা দেন, ৬৪ জেলার নেতা-কর্মীরা আগামীকাল শনিবার মাঠে থাকবেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ৯টার পর গণঅধিকার পরিষদের কর্মীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। এ সময় কর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং সড়কে আগুন জ্বালান। একপর্যায়ে আল রাজী টাওয়ারের সামনে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতির সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা লাঠিপেটা চালিয়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে। এতে নুরুল হক নুরসহ কয়েকজন আহত হন। রক্তাক্ত অবস্থায় নুরকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতাল এবং পরে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাঁর নাক ফেটে গেছে এবং চোখের নিচে কেটে গেছে।

এর আগে সন্ধ্যায় দুই দফায় বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ চলাকালে গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা জাপা কার্যালয়ের সামনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং সড়কে আগুন জ্বালান।

জাপা নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, গণঅধিকার পরিষদের কর্মীরা মিছিল নিয়ে এসে তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে কার্যালয়ে ভাঙচুর করেছেন। অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদের দাবি, তারা শান্তিপূর্ণ মিছিল করছিল, তখনই জাপার লোকজন প্রথমে ইটপাটকেল ছুড়ে উসকানি দেন।

রমনা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আতিকুল আলম খন্দকার জানান, সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। রাত ৯টা পর্যন্ত ধাপে ধাপে সংঘর্ষ চলে।

দুই দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিকেলে রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও ফ্যাসিবাদ নির্মূলের দাবিতে বিজয়নগরে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে গণঅধিকার পরিষদ। সমাবেশ শেষে বিজয়নগর মোড় থেকে পল্টন মোড় পর্যন্ত মিছিল হয়। কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কার্যালয় অতিক্রমের সময় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।


ক্রাইম জোন ২৪

আরও দেখান

সম্পর্কিত খবর

Back to top button