শিরোনাম
ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার রাস্তা সুগম হয়েছে, এখন কাটা না বিছাই: সালাহউদ্দিনকাকরাইলে জাপা-গণঅধিকার কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া‘ঘরজামাই’ বলে উপহাস করায় স্কুলছাত্রী মায়মুনাকে হত্যা করেন ছাইদুল: পুলিশগুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার ও পুনর্বাসনের আহ্বান আসকেরঅন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, শাশুড়ি ও সৎছেলে আটক‘কালো’ বলে খোঁটা দিতেন শাশুড়ি, গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুমাদারীপুরে ৮ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে কোটি টাকার ক্ষতিপিরোজপুরের ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা‘আমাদের সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে’, আদালতকে অধ্যাপক কার্জনগোলটেবিল আলোচনায় বক্তা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ডিআরইউর নিন্দা

‘আমাদের সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে’, আদালতকে অধ্যাপক কার্জন

‘আমাদের সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে’, আদালতকে অধ্যাপক কার্জন

ডিআরইউতে গোলটেবিল বৈঠক থেকে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন। আজ শুক্রবার শাহবাগ থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হলে শুনানির সময় অধ্যাপক কার্জন এ কথা বলেন।

সকাল সাড়ে ১০টায় কার্জনসহ ১৬ জনকে আদালতে তোলা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই তৌফিক হাসান তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পিপি মো. শামসুদ্দোহা সুমন প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে দাবি করে তাঁদের কারাগারে আটক রাখার যুক্তি তুলে ধরেন।

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

এ সময় অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আদালতের কাছে কিছু বলার জন্য অনুমতি চান। আদালত অনুমতি দিলে তিনি বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে মানবধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। সংবিধানের আর্টিকেল ৩৩ অনুসারে যে সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার কথা তা দেওয়া হয়নি। আমাদের আইনজীবী ঠিক করতে দেওয়া হয়নি। আমি একজন শিক্ষক। থানায় যেখানে রাখা হয়েছিল সেখানে ফ্যান ছিল না, সাবান ছিল না। আমি সারারাত ঘুমাতে পারিনি। আমরা ভিক্টিম। সারা পৃথিবীতে ভাইরাল হয়েছে এটা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী যা বলেছেন সব মিথ্যা। আমি এর প্রতিকার চাই। আমাদের যেভাবে হেনস্তা করা হয়েছে ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চাই। আর এখনই জামিন দেবেন।’

সাবেক এ অধ্যাপক আরও বলেন, ‘গতকাল সকাল ১০টায় ডিআরইউতে যে প্রোগ্রাম ছিল সেটার আহ্বায়ক জহিরুল হক পান্না (জেড আই খান পান্না)। তিনি সবার পরিচিত। আর ওই মঞ্চের সদস্যসচিব, একজন বীর মুক্তিযুদ্ধো। ড. কামাল হোসেনের সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকার কথা ছিল। আমি সেখানে আলোচক হিসেবে ছিলাম। সেখানে মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধান নিয়ে আলোচনা হয়। তখন একদল সন্ত্রাসী ঢুকে মব করে আমাদের তুলে দেয়। আমরা ভিক্টিম। যারা অপরাধী তাদের গ্রেপ্তার না করে আমাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত কার্জনসহ সবাইকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পরে চারজনকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে আদালত চত্বরে সংবিধান উঁচু করে ধরেন অধ্যাপক কার্জন। তিনি বলেন, ‘৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এই সংবিধান। এটা রক্ষা করতে হবে।’

অধ্যাপক কার্জনের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী বলেন, ‘গ্রেপ্তারের পর লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে রাতে যেখানে রাখা হয়েছিল, সেখানে ফ্যান নেই। ধুলাবালি ছিল। তাঁদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। এটা সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন হয়েছে। আদালতকে এ কথা জানিয়েছেন কার্জন।’


ক্রাইম জোন ২৪

আরও দেখান

সম্পর্কিত খবর

Back to top button